মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ব্যবহারের বিশেষ কৌশল

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ব্যবহারের ৫টি বিশেষ কৌশল


 

১৯৮৩ সালে চাকশিল্পটি ওয়ার্ড বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারের তকমা অর্জন করেছে। বিশ্ব অধিকাংশ মানুষ সফটওয়্যারটির সঠিক ব্যবহারই জানে না। 


তাদের জ্ঞাতার্থে ওয়ার্ড ব্যবহারের বিশেষ কিছু কৌশল নিয়ে আজকের আয়োজন। যা আপনার মাইক্রোসফট ওয়ার্ড অভিজ্ঞতাকে যেমন উন্নত, একইভাবে একজন পেশাদার ব্যবহারকারীতে পরিণত করবে।


১.যেকোনো জায়গা থেকে টাইপ শুরু করা:


আপনি ডকুমেন্টের প্রথম থেকে টাইপ করতে চান না। বরং অন্য কোথাও থেকে শুরু করতে চান। যেমন: ডকুমেন্টের মাধ্যখান থেকে সুখবর হলো, এজন্য আপনাকে একাধিকবার এন্টার চাপতে হবে না। 



আবার, স্পেসবারে অন্যবার আঘাতও করতে হবে না। আপনাকে যা করতে হবে তা হলো, যে অবস্থান থেকে শুরু করতে চান, সেখানে ডাবল ক্লিক করে, যেকোনো জায়গ থেকে টাইপ করা শুরু করতে পারেন।


২.বিভ্রান্তি দূর করতে Focus Mode ব্যবহার করুন:

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের একটি বিশেষ মোড রয়েছে। মোডটি ফোকাস মোড। আপনার উদ্দেশ্য যদি এমন হয় যা লিখছেন তাতেই শুধু ফোকাস এবং মনোনিবেশ করতে হবে, তাহলে এ মোডটি আপনার জন্য। ফোকাস মোড ডকুমেন্টের ব্যাকতিতে মাদা স্থান এবং শীর্ষে থাকা রং মেনুকে যুক্ত করে। এভাবে আপনি একটি পরিষ্কার এবং ঝকঝকা ওয়ার্কস্পেস পেয়ে যাবেন। ফোকাস মোড সক্রিয় করতে, ভিউ ট্যাবে যান এবং ফোকাস মোড নির্বাচন করুন।

৩.পিডিএফকে মাইক্রোসফট ডকুমেন্টে রূপান্তর করুন:

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টকে পিডিএফে রূপান্তর করা কতটা দরকারি। 


কিন্তু আপনি কি জানেন, এর বিপরীত করাটাও সম্ভব? এর জন্য প্রথমে আপনাকে File> Open এ গিয়ে একটি


পিডিএফ ডকুমেন্ট নির্বাচন করতে হবে। তাহলেই মাইক্রোসফট ওয়ার্ড পিডিএফ ফাইলটিকে স্বয়ংক্রিভাবে একটি সম্পাদনাযোগ্য ওয়ার্ড ডকুমেন্টে রূপান্তর করবে। মনে রাখতে হবে, 

এটি মূল ডকুমেন্টের মতো দেখতে নাও হতে পারে। কারণ, ওয়ার্ড একে সম্পাদনাযোগ্য করার চেষ্টা করছে। বৈশিষ্ট্যটি ছবির ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য।


৪.তালিকাকে বর্ণানুক্রমিক ক্রমে সাজান:

ডকুমেন্টে থাকা শব্দের তালিকাকে সহজেই বর্ণানুক্রমিক বা বিপরীত বর্ণানুক্রমিক ক্রমে সাজানো সম্ভব। এর জন্য, যে লেখাটি বাছাই করতে চান তা নির্বাচন করুন এবং হোম ট্যাবে যান। 


এরপর সর্ট আইকনে ক্লিক করুন, একটি ডায়ালগ বক্স ওপেন হবে। যেখানে আপনি সাজানোর জন্য একটা প্যারামিটার দেখতে পাবেন (আপনি তালিকাটি বর্ণানুক্রমিক বা বিপরীত বর্ণানুক্রমিক ক্রমে সাজাতে চান কিনা তা সহ)।


৫.উদ্ধৃতি এবং রেফারেন্স যোগ করা:

আপনি যদি গবেষণামূলক কাগজপত্র এবং অন্যান্য একাডেমিক নথি লেখার কাজ করেন। তাহলে জেনে থাকবেন, বিভিন্ন নিবন্ধন এবং তথ্য উৎস উদ্ধৃত করা কতটা কঠিন। 


বিশেষ করে যখন উদ্ধৃতির শৈলী ব্যবহারের উপর নির্ভর করে আলাদা হয়। তবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেফারেন্স এবং উদ্ধৃতি, সন্নিবেশ করে আপনাকে সাহায্য করতে পারে । 


এর জন্য 'রেফারেন্স' ট্যাবে যেতে হবে, 'উদ্ধৃতি সন্নিবেশ করান' এ ক্লিক করুন এবং আপনি যে লেখা বা কাজটি উদ্ধৃত করতে চান সে সম্পর্কে বিশদ যোগ করুন। সর্বশেষ, আপনি নথির শেষে একটি গ্রন্থপঞ্জি বা রেফারেন্সের তালিকা যোগ করতে পারেন।


আমাদের শেষ কথা, 
আমাদের লেখা পোস্টটি পড়ে আপনি যদি আপনি উপকৃত হন, তাহলে আমাদের লেখা পোস্টটি অবশ্যই অন্যদের কাছে Share করবেন। আমাদের লেখা পোস্টটিতে কোন ভুল হলে অবশ্যই ভুলটি আমাদের ধরিয়ে দিবেন। আমাদের পোস্টটি কেমন লাগলো সেটা অবশ্যই কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আমাদের সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ। 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url