কম্পিউটার ও কম্পিউটারের ইতিহাস

 

Table of content  👉     

👉  রবি All Ussd code

 👉  airtel all used code

👉  এয়ারটেল all ussd code

👉  Graminphone all used code

👉  গ্রামীণফোনে all used code

 👉 বাংলালিংক All Ussd code

👉  টেলিটক সিমের সকল কোড 

👉  উপন্যাস বিলাসী (শরৎচন্দ্র চট্টোপধ্যায়)

👉  Citizen Luxury (Sarat Chandra Chatterjee)

👉  Funny funny jokes (veery funny)          

👉  Funny funny jokes (veery funny)  

👉  Funny funny jokes (veery funny)   

👉  Funny funny jokes (veery funny)    

👉  Computers and computer history

👉   কম্পিউটার কম্পিউটারের ইতিহাস

 👉   Keyboard Shortcut for Powerpoint (English)

👉   Use of Microsoft Paint Microsoft (English)

👉   Use of Microsoft Paint Microsoft (Bangla) 

👉   Zoom Tips and Tricks English

👉   Zoom All Tips and Tricks (Advanced  Settings)

👉   জুম সব টিপস এবং কৌশল (Advanced Settings) 

👉   জুম সব টিপস এবং কৌশল (Advanced Settings) 

👉    এমএস পাওয়ারপয়েন্ট কীবোর্ড শর্টকাট

👉      MS Word এর জন্য কীবোর্ড শর্টকাট ( Part  3)

👉   Keyboard Shortcut for MS Word ( Part 2)

👉   MS Word এর জন্য কীবোর্ড শর্টকাট ( Part 1)

👉  Windows operating System এর জন্য keyboard Shortcut

👉 Keyboard Shortcut for Microsoft Excel

👉   গল্প (মমতাদি)






Read in English


 

কম্পিউটার কী?


কম্পিউটার শদ্বটি গ্রিক Compute শব্দ থেকে এসেছে Compute শদ্বের অথ হল গণনা কারী যন্ত্র৷ এই শদ্বে প্রচীণ অথ হিসাব করা, পরিমাপ করা, গণনা করা ও ধারণ করা ইত্যাদি৷সাধারন ভাবে Computer একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যেটা 

 

> তথ্য সংরক্ষণ এবং তথ্য প্রদান করে।

> তথ্যকে প্রয়ােজন ও নির্দেশ অনুযায়ী প্রক্রিয়া করে উপস্থাপন করে

পূবে কম্পিউটার দিয়ে শুধু গণনার কাজ করা হতাে কিন্তু এখন অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব নিকাশের কাজ করা হয় । Program ছাড়া কম্পিউটার একটি জড় পদার্থ। কম্পিউটার হল “pregranaITnatile digital electronic device"।

 

কম্পিউটারের কাজ করার পদ্ধতি  

কম্পিউটার দিয়ে কোন কাজ করানাের জন্য কম্পিউটারকে সেই কাজের তথ্য-উপাত্ত প্রদান করতে হবে। তথ্য-উপাত্তক দিয়ে কী করতে হবে সে বিষয়ে কম্পিউটারকে নির্দেশ দিতে হয়৷ প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তকে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ি ব্যাবহার করে কম্পিউটার ফল প্রদান করে। অর্থাৎ কম্পিউটারের কাজ করার ধাপ হচ্ছে তিনটি।

ক, ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য-উপাত্ত ও নির্দেশ গ্রহণ করা (Input }

খ, তথ্যের প্রক্রিয়াকরণ (Processing) করা 

গ. প্রক্রিয়াজাত তথ্য প্রদান বা প্রকাশ করা (Output)।

কম্পিউটারের প্রকারভেদ 

কাজ করার পদ্ধতির দিক থেকে কম্পিউটার মূলত তিন প্রকার। যেমন- 

1. এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer) 

2. ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer) 

3. এবং হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer) ।

 

এনালগ কম্পিউটার: এনালগ কম্পিউটার কাজ করে পরিমাপন (Measuring) পদ্ধতিতে। এনালগ কম্পিউটারের প্রসেসর নির্দিষ্ট কাজে ব্যবহারের উপযােগী করে তৈরি করা হয়। ফলে এক ধরনের কাজে ব্যবহৃত এনালগ কম্পিউটার দিয়ে সাধারণত অন্য ধরনের কাজ করা যায় না। এনালগ কম্পিউটারের সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হিসেবে গাড়ির গতিবেগ প্রদর্শনের কাটা বা মিটারের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে ।

 

ডিজিটাল কম্পিউটার: ডিজিটাল কম্পিউটার কাজ করে বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে প্রাপ্ত নির্দেশ (Instruction) এর ভিত্তিতে। ডিজিটাল কম্পিউটারের কাজ করার ধরন হচ্ছে অগ্রসরমাণ ও পর্যায়ক্রমিক (Progressive and Sequential)। ডিজিটাল কম্পিউটার দিয়ে বহুমুখী কাজ করা যায় । উদাহরণ হিসেবে বর্তমান প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার ।

 

হাইব্রিড কম্পিউটার: এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের প্রয়ােজনীয় বৈশিষ্ট্যগুলাের সমন্বয়ে গঠন করা হয় হাইব্রিড কম্পিউটার । হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় এনালগ প্রক্রিয়ায় । সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়। ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে। উদাহরণ হিসেবে হাসপাতালে ব্যবহৃত হাইব্রিড কম্পিউটারের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে ।

 

কম্পিউটারের শ্রেণী বিভাগ 

কাজের দক্ষতা এবং আকারের ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে প্রধানত ৪ শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। যেমন: সুপার কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, মিনিফ্রেম কম্পিউটার এবং পার্সোনাল কম্পিউটার ।

 

কম্পিউটারের ক্রমবিকাশ 

প্রাচীন কালের মানুষ সংখ্যা বােঝানাের জন্য নুড়ি, পাথর, ঝিনুক ইত্যাদি ব্যবহার করত। এগুলাে ছিল মানুষের গণনার কজে ব্যবহৃত প্রাথমিক গাণিতিক উপকরণ । এরপর গণনা যন্ত্র হিসাবে চালু হয় Abacus (অ্যাবাকাস)। পরবর্তীতে ফরাসী বিজ্ঞানী বেইজ প্যাস্কেল (Pascal) প্যাসক্যালিন নামক যন্ত্র তৈরী করতে সক্ষম হন । বে-ইজ প্যাস্কেলের এ গণনাযন্ত্র তৈরীর দীর্ঘ দিন পর ১৬৭১ সালে বিখ্যাত জার্মান গণিতবিদ লাইবনিৎস চাকা ও দও- ব্যবহার করে যােগ, বিয়ােগ, গুণ এবং ভাগ করা যায় এরকম একটি যন্ত্র 


 

আবিস্কার করেন। এটি বর্তমান বাণিজ্যিক কম্পিউটারের আদিরূপ ।

আধুনিক কম্পিউটারের মৌলিক রূপ তৈরী করেন ব্রিটিশ গণিতবিদ চার্লস ব্যাবেজ। তিনিই সর্বপ্রথম গণনা যন্ত্রের জন্য স্মৃতিভান্ডারের প্রয়ােজনীয়তার ব্যাপারটি উপলব্ধি করেন এবং “Analytical Engine” নামক

একটি যন্ত্র তৈরী করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেও তার এই পরিকল্পনার উপর ভিত্তি করেই মূলত বর্তমানের এই চার্লস ব্যাবজ। কম্পিউটার আবিস্কৃত হয়েছে। এজন্যই চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয় । চার্লস ব্যাবেজের পরিকল্পিত এ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের নকশা প্রণয়নের ব্যাপারে তাঁকে সর্বতােভাবে সাহায্য করেন ঐ সময়ের আর একজন খ্যাতিমান গণিতবিদ, বিখ্যাত ইংরেজ কবি লর্ড বায়রনের কন্যা, লেডি এডা। তাঁকেই বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রােগ্রামার হিসেবে উল্লেখ করা হয় ।


 

১৯৫১ সালে মাউসাল ও একা নিজেদের কোম্পানিতে ইউনিভ্যাক-১ (Universal Automatic Calculator) তৈরী করেন যার বৈশিষ্ট্য ছিল নিম্নরূপ:

 

 

> সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরী কম্পিউটার

> এটি একই সঙ্গে Read, Write ও Compute

১৯৫৩ সালে IBM 701 নামক কম্পিউটার তৈরী করে। এ সময় প্রােগ্রাম তৈরী করা হত Binary ভাষায় । দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার তৈরীর পূর্ব পর্যন্ত আবিস্কৃত সকল কম্পিউটারকে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার বলে। প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল Vacuum Tube। ১৯৪৮ সালে Transistor আবিস্কৃত হওয়ার পর কম্পিউটারে ভাল্বের বদলে Transistor এর ব্যবহার শুরু হয়। এই কারনে সবকিছু দ্রুত হতে থাকল ।

 

এদিকে দুই বিজ্ঞানী BASIC নামের একটি Computer Language তৈরী করেন ফলে Binary Language/Machine Language/Low Level language এর জায়গায় High Level Language আবিস্কৃত হওয়ায় নির্দেশ দেওয়ার উপায়ও সহজ হয়ে গেল । এরপর IC ব্যবহার শুরু হয় । Semiconductor/Silicon-এর একটি ক্ষুদ্রতম অংশে একাধিক Transistor সন্নিবেশিত করা হলে তাকে IC বা Integrated Circuit বলে। এই প্রজন্মের কম্পিউটারকে বলা হয় তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

সবচেয়ে বড় বিপ্লব ঘটে Microprocessor আবিস্কারের মধ্য দিয়ে। সর্বপ্রথম Microprocessor তৈরী করে Intel | Corporation of America ১৯৭১ সালে । Microprocessor হল ১ বর্গ ইঞ্চি মাপের অল্প আয়তনের একটি সিলিকন পাতের উপর হাজার হাজার Transistor সন্নিবেশিত একটি যন্ত্র । বর্তমানে Microprocessor এর আয়তনের এই পরিমাপ অনেক পরিবর্তিত হয়েছে এবং সময়ের সাথ পাল্লা দিয়ে পরিবর্তনের এই হার খুবই দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন অনেক ছােট আয়তনের একটি সিলিকন 

চিপের মধ্যে কয়েক লক্ষ পর্যন্ত বা তারও বেশি Transistor সন্নিবেশিত থাকে । Microprocessor দিয়ে তৈরীকৃত এই কম্পিউটারকেই আধুনিক কম্পিউটার বা Personal Computer বলে । বর্তমানে আমরা কম্পিউটার বলতে সাধারণত Personal Computer বা PC কেই বুঝি।

 

প্রযুক্তির উৎকর্ষতার কারনে কম্পিউটার এখন আকারে ছােট হয়ে এসেছে এবং সহজে বহনযােগ্য। বর্তমানে ল্যাপটপ কম্পিউটার বিদ্যুৎ ছাড়াই চলে ৩-৪ ঘন্টা ।


বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার স্থাপিত হয় ১৯৬৪ সালে পরমাণু শক্তি কেন্দ্র, ঢাকায় । বাংলাদেশে স্থাপিত ঐ প্রথম কম্পিউটার ছিল আইবিএম ১৬২০ মডেলের । কম্পিউটারের র্যাম (RAM) ছিল মাত্র ২০ কিলােবাইট। পরে র্যাম (RAM) এর পরিমাণ বাড়িয়ে ৬৪ কিলােবাইট করা হয়। এই কম্পিউটারটি বর্তমানে বিজ্ঞান জাদুঘরে রয়েছে ।

আইবিএম ১৬২০ (বাংলাদেশে প্রথম ব্যবহৃত কম্পিউটার)

 

কম্পিউটারের ব্যবহার

কম্পিউটার কাজ করে ডাটা (Data) বা উপাত্ত নিয়ে । কম্পিউটারে বর্ণ, সংখ্যা, ছবি, শব্দ,চলমান চিত্র ইত্যাদি ইনপুট হিসাবে প্রদান করা হয়। এ সব কিছু কম্পিউটার ডাটা হিসাবেই গন্য করে এবং তা প্রক্রিয়াকরণ করে । যখন কম্পিউটার দিয়ে গণনার কাজ বা হিসেব নিকেস করা হয় তখন সংখ্যা হয় কম্পিউটারের উপাত্ত । আর যখন কম্পিউটার গ্রাফিক্স বা চলমান গ্রাফিক্স নিয়ে কাজ করা হয় তখন ইমেজ এনিমেশন হয় কম্পিউটারের উপাত্ত । কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এসব উপাত্তকে যন্ত্রের ভাষায় প্রক্রিয়াকরণ করে । কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম ও এপ্লিকেশন প্রােগ্রামসমূহ বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন, বা শব্দ ইত্যাদির রূপ ফুটিয়ে তােলে। এখনকার কম্পিউটারের যে কোন ধরনের উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ করা যায় । ছােটখাট যােগবিয়ােগ থেকে শুরু করে কোটি কোটি অংকের হিসেবনিকেশ বা গণনা কম্পিউটার প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে । চিত্র বা শব্দের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযােজ্য ।

আমাদের সমাজ জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রের কাজেই কম্পিউটারের ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে । এককথায় বলতে গেলে আমাদের চারপাশের প্রায় সকল কাজেই এই যন্ত্রটি ব্যবহার করা যায় ।

আমাদের দেশের কয়েকটি খাতে কম্পিউটারের ব্যবহার আলােচনা করা হল:

 

ব্যবসায়-বাণিজ্যে কম্পিউটার

ব্যবসায়-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কম্পিউটার যে আধুনিক ধারণাটি নিয়ে এসেছে তার নাম হল ই-কমার্স। ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স হচ্ছে একুশ শতকের ব্যবসায়-বাণিজ্যের স্বরূপ। ধারনা করা হচ্ছে ভবিষ্যতে ইন্টারনেটের সাহায্যে ব্যবসা-বাণিজ্য চলবে । এখনই উন্নত বিশ্বের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং আমাদের দেশের কোন কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট তৈরী করে পণ্য বেচাকেন। করছে। বিশ্বের বৃহত্তম যে বইয়ের দোকানটি তা এখন ইন্টারনেটে অবসিহত। মানুষের কাপড়চোপড় থেকে গৃহস্থলি বা শির কারখানার যন্ত্রপাতি পর্যন্ত ই-কমার্সের সাহায্যে বেচা-কেনা হচ্ছে ।

 

ব্যবস্থাপনায় কম্পিউটার

ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত যে কোন কাজের উপাত্ত বিন্যস্ত করা, সতর্ক করা, প্রয়ােজনীয় তথ্য সরবরাহ করা , জরুরি ফলাফল প্রদান করা, ক্রয় বা বিক্রয়ের পরিস্থিতি জানানাে, চাহিদার নির্দেশনা প্রদান করা ইত্যাদি কাজ অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে, দ্রুতগতিতে এবং দক্ষতার সাথে সম্পাদন করা হচ্ছে কম্পিউটারের সাহায্যে।

 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ছাত্র-শিক্ষক-কর্মচারী ব্যবস্থাপনা, পাঠাগারের জন্য বই ব্যবস্থাপনা, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি ছাড়াও যােগাযােগ বা তথ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কম্পিউটার একটি অপরিহার্য যন্ত্র ।

 

প্রকাশনায় কম্পিউটার

প্রকাশনায় কোন লেখা বা বিষয় ছাপার জন্য প্রেসের চেয়ে কম্পিউটারে কম্পােজ করা সব দিক দিয়েই সুবিধাজনক। কাপডটারে। কম্পােজ করার উল্লেখযােগ্য সুবিধাগুলাে হচ্ছে:

> দ্রুত কম্পােজ করা যায় ।

একই কম্পিউটারে বাংলা, ইংরেজী এবং অন্যান্য ভাষায় কম্পােজ করা যায় । 

> অক্ষর কখনও ভাঙ্গা হয় না, লাইন আঁকাবাকা হয় না ।

অক্ষরের আকার অনেক বড় এবং একেবারে ছােট করা যায় । লাইনের মাঝখানে ফাকা জায়গা প্রয়ােজনমতাে কম-বেশি করা যায় । কম্পােজ করা বিষয় বা লেখা কম্পিউটারের স্মৃতিতে রেখে দেয়া যায়। প্রয়ােজন হলে আবার বিষয়টি ব্যবহার করা যায় ।

নতুন করে কম্পােজ করতে হয় না। কয়েক হাজার পৃষ্ঠার বই কম্পিউটারের স্মৃতিতে রেখে দেওয়া যায় । 

> ছাপার কাজের বিষয়বস্তু ইস্ট্রেনিক বা ডিজিটাল মিডিয়াতেও ব্যবহার করা যায় ।

 

শিক্ষায় কম্পিউটার

কম্পিউটার প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ নতুন এক আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছে। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় কম্পিউটার, মাল্টিমিডিয়া, সফটওয়্যার ও ইন্টারনেট ভিত্তিক এক নতুন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছে । শিক্ষার জন্য যে তথ্য কাগজে পাওয়া যেত তা হয়ে উঠেছে ডিজিটাল । শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীদের মনােযােগ আকর্ষণ করার জন্য কম্পিউটারের জুড়ি নেই। কম্পিউটারের সাহায্যে শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে এর অনেক সুযােগ গ্রহন করা যায়। বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়, যেমন- নভােমন্ডল, গ্রহ-উপগ্রহ, সৌরজগত, প্রাণী জগতের খুটিনাটি সচল চিত্রের মাধ্যমে দেখানাে যেতে পারে। এসব অনেক বিষয় তৈরী পাওয়া যায় আবার প্রয়ােজনমতাে তৈরী করে নেওয়া যায়। কাজেই কম্পিউটারের সাহায্যে শিক্ষাদান যে প্রচলিত শিক্ষাদান পদ্ধতি হতে অনেক বেশি কার্যকর তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য কম্পিউটারে ছাত্র-শিক্ষক-কর্মচারী ব্যবস্থাপনা ও তথ্য সংরক্ষনের মাধ্যমে সময় ও শ্রম দুই-ই বেঁচে যায় । শিক্ষা ব্যবস্থায় যােগাযােগ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । বিভিন্ন বিদ্যালয় এবং গুরুত্বপূর্ণ সংশ্লিষ্ট অফিসের মধ্যে সরাসরি কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে নেটওয়ার্ক ইন্টারনেটের মাধ্যমে যােগাযােগ স্থাপন করা সম্ভব ।

এছাড়া কম্পিউটারের সাহায্যে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার ফলাফল তৈরী ও সংরক্ষণ করা যায়। বর্তমানে প্রশংসাপত্র কম্পিউটারের সাহায্যে মুদ্রিত হয় । 

 

শিল্প-কারখানায় কম্পিউটারের ব্যবহার

কম্পিউটারের সাহায্যে উৎপাদনের গুনগতমান নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রগুলাে কম্পিউটারে দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী নিখুঁতভাবে পণ্য তৈরী করে থাকে। কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের সাহায্যে পণ্য উৎপাদনের সুবিধাগুলাের মধ্যে উল্লেখযােগ্য হচ্ছে: তুলনামূলকভাবে শ্রমিক কম লাগে, তৈরি পণ্যের মান নিখুঁত হয়, কাঁচামালের অপচয় হয় না এবং দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে না বললেই চলে। ফলে সামগ্রিক উৎপাদনের খরচ কম হয়, পণ্যের মান উন্নত হওয়ায় চাহিদাও বাড়ে, সব মিলিয়ে মুনাফা বেশি হয়।

 

অপারেটিং সিস্টেম:

অপারেটিং সিস্টেমকে সিস্টেম সফটওয়্যার হিসেবেও অভিহিত করা হয়। এটি ছাড়া কম্পিউটার চলতে পারে না। কম্পিউটারের। সুইচ অন করার সাথে সাথে অপারেটিং সিস্টেম দেখে নেয় RAM এ কি পরিমান জায়গা আছে । এরপর স্টার্টআপ ডিস্ক খুঁজে বের করে এবং ডিস্ক থেকে সিষ্টেম ফাইলের প্রয়ােজনীয় অংশ RAM এ নিয়ে আসে। এতে কীবাের্ড, ফন্ট, ডিস্ক, এক্সেসরিজ ইত্যাদির। প্রয়ােজনীয় নির্দেশমালা অপারেটিং সিষ্টেমের আওতায় চলে আসে। কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ পরিচালনার জন্য এ পর্যায়ে। অপারেটিং সিষ্টেম আবারও ষ্টার্টআপ ডিস্ক থেকে প্রিন্টার ও অন্যান্য যন্ত্রাদির সাথে তথ্য বিনিময়ের জন্য রিসাের্সগুলাে নিয়ে আসে। অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রােগ্রামের মাঝে সংযােগ স্থাপন করে। হার্ডওয়্যারকে দিয়ে। এ্যাপ্লিকেশন প্রােগ্রামের কাজগুলাে সম্পাদন করার ব্যাপারে এটি সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে পার্সোনাল কম্পিউটারে এম.এস.-ডস (MS-DOS), উইন্ডােজ ৯.৫ (WindoWS 9.5), উইন্ডােজ এক্সপি (Windows XP), উইন্ডােজ ভিসতা (Windows Vista) অপারেটিং সিস্টেম এবং এ্যাপলের ম্যাকিন্টোস পরিবারের পার্সোনাল কম্পিউটারের ম্যাকিন্টোস আপারেটিং সিস্টেম (MacOS) সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম ।

 

অপারেটিং সিস্টেমের ভিত্তিতে এ্যাপ্লিকেশন প্রােগ্রাম তৈরি করা হয়। দুর্বল অপারেটিং সিস্টেমে শক্তিশালী বা বড় আকারের এ্যাপ্লিকেশন প্রােগ্রাম চালানাে হয় বর্নভিত্তিক (Text) বা চিত্র ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) কমান্ডের মাধ্যমে।

 

অপারেটিং সিস্টেমের গঠন

অপারেটিং সিস্টেম গঠিত হয় অনেকগুলাে প্রােগ্রামের সমন্বয়ে । এ সব প্রােগ্রাম ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে। অপারেটিং সিস্টেমের গুরত্বপূর্ণ দুইটি প্রােগ্রাম হচ্ছে।

ক) নিয়ন্ত্রণ প্রােগ্রাম। খ.) সেবামূলক প্রােগ্রাম।

 

 

ক.) নিয়ন্ত্রণ প্রােগ্রাম: নিয়ন্ত্রণ প্রােগ্রামকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে । যেমন:

১.) সুপারভাইজর প্রােগ্রাম: মূল প্রােগ্রাম এর দায়িত্ব হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেমের অন্যান্য প্রােগ্রামগুলাের সাহায্যে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ নিয়ন্ত্রন করা । সুপারভাইজর প্রােগ্রামকেই মূল প্রােগ্রাম, পরিবীক্ষন, কারনেল, কোর নামে অভিহিত করা হয়।

২.) জব কন্ট্রোল প্রোগ্রাম: কম্পিউটারের সাহায্যে পর্যায়ক্রমে কাজ করার জন্য অনেকগুলাে কাজ সারিবদ্ধভাবে সাজিয়ে রাখা হয়। অপারেটিং সিস্টেমের নিয়ন্ত্রন প্রোগ্রামের অন্তর্গত জব কন্ট্রোল প্রােগ্রাম এই সারিবদ্ধভাবে অপেক্ষমান কাজগুলাে পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন কারার দায়িত্ব পালনকরে

৩.) ইনপুট/ আউটপুট প্রোগ্রাম: অপারেটিং সিস্টেমের নিয়ন্ত্রন প্রোগ্রামের অন্তর্গত একটি প্রয়ােজনীয় প্রোগ্রাম হচ্ছে ইনপুট আউটপুট প্রােগ্রাম। এ প্রােগ্রামের সাহায্যে ডাটা প্রক্রিয়াকরণ এবং আউটপুট পাওয়ার জন্য কম্পিউটারের ইনপুট আউটপুট যন্ত্রাদির সঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের কাজের সময় স্থাপিত হয়।

খ.) সেবামূলক প্রােগ্রাম: সেবামূলক প্রােগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন:

১.) প্রক্রিয়াকরণ প্রোগ্রাম: প্রক্রিয়াকরণ প্রােগ্রামের কাজ হল উচ্চতর ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করা। প্রক্রিয়াকরণ প্রােগ্রামকে অনুবাদক হিসেবেও অভিহিত করা হয়।

২.) ইউটিলিটি প্রােগ্রাম: ইউটিলিটি প্রােগ্রামের কাজ হচ্ছে এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য নানা প্রকার দায়িত্ব সম্পাদন করা। ইউটিলিটি প্রোগ্রামের কাজগুলাের মধ্যে উল্লেখযােগ্য হল প্রক্রিয়াকরনের জন্য উপাত্ত ও রেকগুলো পর্যায়ক্রমিকভাবে বনত করে দেওয়া, একটি ফাইল তৈরি করা, ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস থেকে অন্য ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসে তথ্য স্থানান্তর করা ইত্যাদি।

 

অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ

কাজ করার ধরন ও প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে অপারেটিং সিস্টেমগুলাে কয়েকটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয় । যেমন:

> টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম

> রিসাের্স শেয়ারিং

> ক্লায়েন্ট সার্ভার

> ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম

> রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম

> মাল্টিপ্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম

> মাল্টি প্রােগ্রামিং অপারেটিং সিস্টেম

> ডিস্ট্রিবিউটেড অপারেটিং সিস্টেম

 

অপারেটিং সিস্টেমের প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশন: 

একটি অ্যাপ্লিকেশন হল একটি প্রোগ্রাম, বা প্রোগ্রামগুলির গ্রুপ, যা শেষ ব্যবহারকারীর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার দুটি সাধারণ শ্রেণীতে বিভক্ত করা যেতে পারে: সিস্টেম সফ্টওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার

একটি অপারেটিং সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশনগুলির জন্য এই পরিষেবাগুলি সম্পাদন করে:

  • একটি মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমে যেখানে একাধিক প্রোগ্রাম একই সময়ে চলতে পারে, অপারেটিং সিস্টেম নির্ধারণ করে কোন অ্যাপ্লিকেশনগুলিকে কোন ক্রমে চালানো উচিত এবং এখন অন্য অ্যাপ্লিকেশনকে একটি পালা দেওয়ার আগে প্রতিটি অ্যাপ্লিকেশনের জন্য অনেক সময় দেওয়া উচিত।এটি একাধিক অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে অভ্যন্তরীণ মেমরি শেয়ারিং পরিচালনা করে।  

  • এটি সংযুক্ত হার্ডওয়্যার ডিভাইস যেমন হার্ড ডিস্ক, প্রিন্টার এবং ডায়াল-আপ পোর্টগুলিতে ইনপুট এবং আউটপুট পরিচালনা করে।

  • এটি প্রতিটি অ্যাপ্লিকেশন বা ইন্টারেক্টিভ ব্যবহারকারীকে (অথবা একটি সিস্টেম অপারেটরকে) অপারেশনের অবস্থা এবং যে কোনও ত্রুটি ঘটতে পারে সে সম্পর্কে বার্তা পাঠায়।
  • এটি ব্যাচের কাজগুলির ব্যবস্থাপনাকে অফলোড করতে পারে (উদাহরণস্বরূপ, মুদ্রণ) যাতে সূচনাকারী অ্যাপ্লিকেশন এই কাজ থেকে মুক্ত হয়। 
  • সমান্তরাল প্রসেসিং প্রদান করতে পারে এমন কম্পিউটারগুলিতে, একটি অপারেটিং সিস্টেম প্রোগ্রামটিকে কীভাবে ভাগ করতে হয় তা পরিচালনা করতে পারে যাতে এটি একবারে একাধিক প্রসেসরে চলে।

সমস্ত প্রধান কম্পিউটার প্ল্যাটফর্মের (হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যার) প্রয়োজন এবং কখনও কখনও একটি অপারেটিং সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত করে। Linux, Windows, VMS, OS/400, AIX, এবং z/OS হল অপারেটিং সিস্টেমের সব উদাহরণ।


 

 

 

 

 

 

 

 

 

অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য এবং ফাংশন

একটি অপারেটিং সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে কথা বলার সময়, প্রায়শই তারা এর ফাংশনগুলির সাথে মিশে যায়। আমি একটি অপারেটিং সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যকে অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশিষ্ট বৈশিষ্ট্য হিসাবে সংজ্ঞায়িত করি; অন্য কথায়, এর প্রধান উপাদান।

 

সিস্টেম কল

আধুনিক মাইক্রোপ্রসেসরগুলিতে, অপারেশনের কমপক্ষে দুটি মোড রয়েছে: কার্নেল মোড এবং ব্যবহারকারী মোড। যদি ব্যবহারকারী মোডে চলমান একটি অ্যাপ্লিকেশন একটি বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত অপারেশন (যেমন সরাসরি হার্ডওয়্যার অ্যাক্সেস করার) করার চেষ্টা করে, তবে CPU একটি ব্যতিক্রম ছুঁড়ে ফেলবে।

 

ডিভাইস ড্রাইভার

একটি কম্পিউটার সিস্টেম সাধারণত ডিস্ক ড্রাইভ, কীবোর্ড, মাউস, ভিডিও অ্যাডাপ্টার, সাউন্ড কার্ড ইত্যাদির মতো বেশ কয়েকটি ডিভাইস নিয়ে গঠিত। যখন একজন ব্যবহারকারী তাদের কম্পিউটারে এই জাতীয় ডিভাইস সংযুক্ত করে, তখন তারা আশা করে যে অপারেটিং সিস্টেম ডিভাইসটি সনাক্ত করবে এবং ব্যবহার করবে। এটা প্রকৃতপক্ষে, অপারেটিং সিস্টেম ডিভাইসটি কী তা জানতে পারে তবে এটির সাথে কীভাবে যোগাযোগ করতে হয় তা নয়৷ পরবর্তী সমস্যাটি ড্রাইভারের মাধ্যমে সমাধান করা হয়। একটি ডিভাইস ড্রাইভার একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা একটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত একটি নির্দিষ্ট ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে। এটি একটি ইন্টারফেস প্রদান করে যার মাধ্যমে অপারেটিং সিস্টেম স্বচ্ছভাবে ডিভাইসে কল করতে পারে।

 

File system 

প্রতিটি কম্পিউটার ফাইল সসীম ক্ষমতার একটি স্টোরেজ ডিভাইসে একটি লিনিয়ার স্পেসে সংরক্ষণ করা হয়। প্রতিটি ফাইলের স্টোরেজের ঠিকানা থাকে, যা স্টোরেজ মিডিয়ামের শুরু থেকে বাইট অফসেটের সংখ্যা দ্বারা নির্ধারিত হয়। কিন্তু তারপরে, একটি কাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে যা বলে যে ডেটার একটি অংশ কোথায় শুরু হয় এবং কোথায় এটি শেষ হয় - একটি ফাইল সিস্টেম।

 

User Interface 

এখানে একটি অপারেটিং সিস্টেমের আরেকটি বৈশিষ্ট্য: এর ব্যবহারকারী ইন্টারফেস। একটি অপারেটিং সিস্টেমের ইউজার ইন্টারফেস নির্ধারণ করে কিভাবে ব্যবহারকারী কম্পিউটারের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করে। একটি ইউজার ইন্টারফেসের দুটি সবচেয়ে সাধারণ রূপ হল কমান্ড লাইন ইন্টারফেস (CLI) এবং গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI)। একটি CLI একটি প্রম্পট প্রদান করে যেখানে কমান্ডগুলি লাইন-বাই-লাইন দেওয়া যেতে পারে।

 

Functions:

এখানে কাজ শেষ হলে আলোচনা করা হবে যে ফাংশন আছে. (আপনি এই এলাকায় আপনার বর্তমান গবেষণা কার্যক্রম ফোকাস করতে চাইতে পারেন.)

1. Process management

  • Code execution o Context switching
Multitasking  
 

2. Memory management

  • Allocation 
  • Sharing 
  • Protection
  • Virtual memory 
 
3. Device management
  • Input/Output 
  •  Disk access 
  • Interrupt handling
Next Post Previous Post